‘বালান্দা মহাবিহার ও চন্দ্রকেতুগড়’ – এম.এ. জব্বার বহুচর্চিত সেই কথাটি পুনরায় স্মরণ করি । ‘ইতিহাস কে লিখিবে ? তুমি লিখিবে, আমি লিখিব।’ রবীন্দ্রনাথের উক্তিও গভীরভাবে প্রণিধানযোগ্য। ‘ইতিহাস দেশের গৌরবকথা বলিবার জন্য নহে, সত্য প্রকাশ করিবার জন্য।’ এই কথার যথার্থ মর্ম উপলব্ধি করে গ্রন্থকার এম.এ. জব্বার যে সৃষ্টিকার্য রেখে গেছেন, তাকে নির্ভর করেই ‘বালান্দা মহাবিহার— চন্দ্রকেতুগড়’ বইটি নতুন মুদ্রণে পুনরায় প্রকাশিত। এইসব লেখালেখির সময়কাল ১৯৮০-র দশক। আজ তিন দশক পেরিয়েও খুব কি এগিয়েছি, লুপ্তইতিহাসের নবনির্মাণ প্রয়াসে ?
কৌতূহলী পাঠকের কাছে প্রত্ন-ইতিহাসবিদ এম.এ. জব্বারের দুষ্প্রাপ্য রচনাসম্পদ মূল্যবান বিবেচনায় এই সংকলন প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। ‘বালান্দা মহাবিহার’, ‘লাল মসজিদ’, ‘বেড়াচাঁপা’ আজো অতীত অন্ধকারের গর্ভে নিমজ্জিত। বিক্ষিপ্ত কিছু প্রয়াস যে নেই, তা নয়। লুপ্ত ইতিহাসের পূর্ণাঙ্গ উদ্ধার প্রয়াসে এই কাজ যথার্থ সহায়তা প্রদান করতে সক্ষম হবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।
Reviews
There are no reviews yet.
Be the first to review “বালান্দা মহাবিহার ও চন্দ্রকেতুগড় (Balanda Mahabihar O Chandraketugarh )” Cancel reply
Reviews
There are no reviews yet.